সাদিক কায়েমের ‘অগণতান্ত্রিক’ বিয়ে বাতিলের দাবি একদল ছাত্রীর

ইমোশনাল ছিনতাই!

বিশেষজ্ঞ মহলের প্রতিক্রিয়া

এই অদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মনস্তাত্ত্বিক ও আবেগীয় জটিলতা সেল’ একটি জরুরি মিটিং ডেকেছে। জনৈক সমাজবিজ্ঞানী মন্তব্য করেছেন, “আসলে সাদিক কায়েমের প্রতি ছাত্রীদের এই মোহ ছিল একটি ‘কালেক্টিভ ইলিউশন’। সবাই ভেবেছিল সাদিক ভাই সবার। এখন তিনি যখন একজনের হয়ে গেছেন, তখন বাকিদের কাছে মনে হচ্ছে তাদের শেয়ার বাজার ধসে পড়েছে।”

তবে ছাত্রীরা দমবার পাত্র নয়। তারা এখন ‘সাদিক কায়েম পুনর্বাসন কমিটি’ গঠনের কথা ভাবছেন। তাদের পরবর্তী কর্মসূচিগুলো হলো:

সাদিক কায়েমের বাড়ির সামনে ‘মৌন অনশন’।

ফেসবুকে নববধূর প্রোফাইল পিকচারে ‘অ্যাংরি’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ার জন্য বিশেষ সেল গঠন।

বিয়ে বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল।

একটি করুণ আর্তনাদ

বিক্ষোভের একদম শেষ পর্যায়ে এক ছাত্রীকে দেখা গেল একটি ব্যানার ধরে একা বসে আছেন। ব্যানারে লেখা—“সাদিক ভাই, আপনি না হয় বিয়ে করলেনই, কিন্তু আমাদের যে স্বপ্নগুলোর এখন রি-টেক পরীক্ষা দিতে হবে, তার ফি কে দেবে?”

আসলে রাজনীতিতে হার-জিত থাকে, কিন্তু ভালোবাসার রাজনীতি বড়ই নিষ্ঠুর। সাদিক কায়েম হয়তো এখন শশুর বাড়িতে মিষ্টি খাচ্ছেন, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোর করিডোরে এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাসের বাতাস। তারা এখনো বিশ্বাস করেন, ভালোবাসা আসলে অন্ধ নয়, বরং ভালোবাসা হলো ‘সাদিক কায়েমের সিঙ্গেল থাকা’।

অবশেষে আন্দোলনকারীরা আলটিমেটাম দিয়েছেন—আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি এই বিয়ে ‘নাল অ্যান্ড ভয়েড’ ঘোষণা করা না হয়, তবে তারা সবাই মিলে ক্যাম্পাসে ‘দেবদাস’ সিনেমাটি প্রজেক্টরে চালিয়ে গণ-কান্না কর্মসূচি পালন করবেন।

সাদিক কায়েমের নববধূ কি পারবেন এই হাজার হাজার ‘মনে মনে প্রেমিকা’র অভিশাপ থেকে নিজের সংসার বাঁচাতে? নাকি ঢাবির ছাত্রীরাই নতুন কোনো আইন পাস করে এই বিয়ে বাতিল করে ছাড়বে? উত্তর তোলা থাকল সময়ের হাতে। আপাতত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাতাস ভারী হয়ে আছে প্রিয় পুরুষের বিয়েজনিত ‘বিয়োগ’ ব্যথায়।